বিবিধ

এ যেন ‘আয়নাবাজি’

বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘আয়নাবাজি’। চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দর্শকপ্রিয় এই সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম ছিল শরাফাত করিম আয়না। তার পেশা ছিল টাকার বিনিময়ে আসামীদের হয়ে জেলে সাজা ভোগ করা। সিনেমার পর্দায় এমন কাহিনি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছিল—বাস্তবেও কী এমনটা সম্ভব!

এবার দক্ষিণ তুরস্কের ই টিপি কাপাসি কারাগারে এমনই একটি ঘটনা ঘটিয়েছে মুরাত ও হুসাইন নামের দুই ভাই। যমজ এই দুই ভাইয়ের চেহারা এবং উচ্চতায় যথেষ্ট মিল আছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুরাতের জায়গায় জেল খাটার ফন্দি এটেছিলেন হুসাইন। তবে পুলিশের তৎপরতায় তাদের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

১৯ বছর বয়সি কিশোর মুরাত খুনের মামলার দীর্ঘমেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। জুন মাসের ২৭ তারিখে মুরাতের সাথে দেখা করতে আসে হুসাইন। পুলিশ তাদের সরাসরি সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেয়। সাক্ষাৎ শেষে হুসাইনকে জেলে রেখে বেরিয়ে যায় সাজাপ্রাপ্ত মুরাত।

বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ না বুঝতে পারলেও পরে হুসাইনের আচরণ দেখে পুলিশের মনে সন্দেহ জাগে। জেলের ভিতর মুরাত নয়, বরং তার যমজ ভাই হুসাইন পুলিশ তা শনাক্ত করে। এরপর পুলিশ মুরাতের বাড়িতে হানা দিয়ে পুনরায় তাকে জেলে বন্দি করে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর অত্র এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন— এরকম একটি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগার থেকে দাগি আসামি পালায় কি করে? উত্তরে পুলিশ জানিয়েছে, কারাগারের চেহারা শনাক্তকরণ যন্ত্র না থাকার কারণে এমনটা হয়েছে। আলোড়ন সৃষ্টিকারী দুই ভাই এখন জেলে বন্দি আছে। তারা কেমন করে এটি করল পুলিশ তা তদন্ত করছে।

সূত্রঃ রাইজিং বিডি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Blocker Detected

Please Remove your browser ads blocker