করোনা ভাইরাসবাংলাদেশ

করোনা প্রতিরোধে যে দুটি উপায় সবচেয়ে বেশি কার্যকরী

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ লাখ ৮১ হাজার ৬ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২ হাজার ২৩০ জনের বেশি মানুষের।

ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসের থাবায় দিশেহারা বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চল। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও।  এ দেশেও প্রতিদিন বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।  এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৩ হাজার ২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮৪৬ জনের।

যেহেতু এই ভাইরাস প্রতিরোধে এখনও পর্যন্ত কার্যকরী কোনও ওষুধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান। তাই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দুটি করণীয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। একটি হল নিয়মিত অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। দ্বিতীয়টি হল সামাজিক মেলামেশা কমিয়ে দেওয়া।

যতটা সম্ভব বাড়ি থেকে না বের হওয়া। আর যদি বের হতেই হয় তাহলে অন্য মানুষদের চাইতে অন্তত দুই মিটার বা ৬ ফিট দূরে থাকা।

ঠিক এই দুই মিটার দূরত্বে থাকার কথাই কেন বলছেন বিশেষজ্ঞরা? কারণ হল- লোকের হাঁচি-কাশি থেকে বাতাসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে আপনার দেহে ঢুকে পড়ার ঝুঁকি অনেকখানি কমে যায়, যদি আপনি কমপক্ষে একটা নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকতে পারেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের দুটি প্রধান লক্ষণ হল- জ্বর এবং ঘন ঘন শুকনো কাশি।

হাঁচি-কাশির সঙ্গে একজন মানুষের মুখ দিয়ে সবেগে বেরিয়ে আসে অগণিত পানির বিন্দু (ড্রপলেট) মিশ্রিত বাতাস, যে বাতাসটা আসছে ফুসফুস থেকে।

আর করোনাভাইরাস বাসা বাঁধে শরীরের আর কোথাও নয়, এই ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রেই।

যেহেতু এখন পর্যন্ত করোনার স্বীকৃত কার্যকরী প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন নেই, সেক্ষেত্রে সচেতনতাই হতে পারে প্রথম প্রতিরোধ।

সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Blocker Detected

Please Remove your browser ads blocker