স্বাস্থ্য পরামর্শ

দাঁতের গোড়ায় গর্ত, কী করবেন

শিশু ও বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষ দাঁতের ব্যথায় ভুগে থাকেন। দাঁতে ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, পোকা হওয়া ও ছোট ছোট গর্তের সমস্যাও দেখা দেয়।

এই ব্যাকটেরিয়া থেকেই প্লাক নামক একটি পুরু স্তর তৈরি হয় দাঁতে। এই স্তরটি আমাদের দাঁতে ক্ষয় সৃষ্টি করে।

শুরুতেই ক্যাভিটি বা গর্তের চিকিৎসা না করা হলে ক্ষয় বাড়তে শুরু করে। দাঁতের ভেতরের স্তরে পৌঁছায়, যাকে ডেন্টিন বলে। ক্যাভিটি হচ্ছে বুঝতে পারলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসাকের কাছে যেতে হবে।

আসুন জেনে নিই দাঁত ভালো রাখতে কী করবেন-

১. কুসুম গরম লবণপানি দাঁতের সমস্যায় খুব ভালো কাজ করে। এই লবণপানি মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে দেয় না ও ক্যাভিটি ভালো করে। লবণপানি অ্যাসিড সরিয়ে আমাদের মুখে পিএইচ স্তরকে নিরপেক্ষ করে।

২.  ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ক্যাভিটি থেকে যন্ত্রণা হলে সেটিও সরিয়ে তোলে লেবু। মুখে এক টুকরো লেবু নিয়ে চিবোতে থাকুন। এর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করুন।

৩. নিম কাঠি দিয়ে অনেকেই দাঁত মাজেন, যা দাঁত ভালো রাখে। নিমে থাকা ফাইবার দাঁতে প্লাক হতে দেবে না। কয়েকটা নিমপাতা চিবিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তেতো স্বাদের জন্য নিম অনেকে পছন্দ না করলেও এটা ক্যাভিটি সারাতে খুব ভালো কাজ করে।

৪. আপনার খাওয়া খাবার থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সংগ্রহ করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি ক্যাভিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

৫. ফ্লুরাইড ক্যাভিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এবং দাঁতের এনামেল রক্ষা করতে খুব ভালো কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ফ্লুরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলে ক্যাভিটি হয় না।

৬. মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খাবেন না। মিষ্টি খাবার দাঁতের সব থেকে বেশি ক্ষতি করে।

৭. তিল বা নারিকেল তেল ১০ মিনিটের মতো দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। তারপর কুলকুচি করে ধুয়ে ফেলুন। ক্লিনিকাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, তিলের তেল দিয়ে এটা করলে প্লাক, জিঞ্জিভাইটিস এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া কমায়।

৮. ক্যাভিটি সারাতে লবঙ্গ দারুণ উপকারী। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ক্যাভিটি ছড়াতে দেয় না।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Blocker Detected

Please Remove your browser ads blocker