খেলাধুলা

নবরূপে কাল শুরু হচ্ছে ডিপিএল

সকল স্বাস্থ্য প্রটোকল মেনে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সম্মানজনক ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। মুলত এ টুর্নামেন্টটিই দেশের বেশির ভাগ ক্রিকেটারদের আয়ের প্রধান উৎস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ বছরের ডিপিএলের নামকরণ করা হয়েছে- ‘বঙ্গবন্ধু ডিপিএল স্পন্সর বাই ওয়ালটন’।

আগামীকাল (সোমবার) থেকে টি-২০ ফর্মেটে ১২ টি দলকে নিয়ে ঢাকা লিগ শুরু হবে। ঢাকার সেরা ক্লাবগুলো লড়াই করবে তিনটি ভেন্যুতে। ভেন্যুগুলো হলো- মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বিকেএসপি-৩ এবং বিকেএসপি-৪ নম্বর মাঠে। প্রতি ভেন্যুতে প্রথম ম্যাচ শুরু হবে সকাল ৯টায়। আর দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে।

করোনাভাইরাসের কারনে গত বছর প্রথম রাউন্ডের পর লিগটি স্থগিত হয়ে যায়। ফলে দলগুলো একই রকম থাকবে, যা গত বছর ছিল। আগের আগের ক্লাবেই খেলবেন ক্রিকেটাররা। নতুন ফ্রি খেলোয়াড় (যারা আগের বছর খেলেননি) বিশেষ অনুমতি নিয়ে দলে যোগ দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবার লিগের ফরম্যাট পরিবর্তন হয়েছে।

মিরপুরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড মুখোমুখি হবে পারটেক্স লিমিটেডের। একই ভেন্যুতে আরেক ম্যাচে লড়বে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে মুখোমুখি হবে ওল্ড ডিওএইচএস ও লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে প্রাইম ব্যাংক ও গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। বিকেএসপিতে প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে খেলবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব ও শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব।

পুরো মৌসুম জুড়েই পাওয়া যাবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। তাই এবারের লিগটি পেতে যাচ্ছে নতুন উন্মাদনা। কোভিড-১৯ মহামারী থেকে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সুরক্ষার জন্য পুরো আসরটি জৈব-সুরক্ষা বলয়ে অনুষ্ঠিত হবে। খেলোয়াড়, আম্পায়ার এবং কর্মকর্তাদের রাখতে ইতোমধ্যে চারটি হোটেল বেছে নিয়েছে বিসিবি। প্রতিটি দলের জন্য একটি বাসও ঠিক করে দিয়েছে বোর্ড।

বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘আমরা এই মহামারীর মধ্যে ঢাকা লিগ পরিচালনার ঝুঁকি নিয়েছি কারণ এটি দেশের সর্বাধিক ক্রিকেটারদের আয়ের প্রধান উৎস। আমরা সফলভাবে লিগ আয়োজনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। আমরা ১২টি দলকে জৈব-সুরক্ষা বলয়ে রাখছি। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। আমি আশা করি, জৈব-সুরক্ষা বলয় ভেঙে যেতে পারে খেলোয়াড় তথা সংশ্লিষ্ঠরা এমন কিছু করবে না। আশা করি সবাই নিয়ম মেনে চলবে।’

খেলোয়াড়দের অর্থ প্রদান ছাড়াও, পুরো আসরের ব্যয় বহন করবে বিসিবি। যা ক্লাবগুলির করা উচিত ছিল। লিগের সাথে জড়িত খেলোয়াড় এবং অন্যান্য স্টোকহোল্ডারদের কিংবা সংশ্লিষ্ঠদের কয়েকবার ভাইরাস পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় নেগেটিভ হলেই, জৈব সুরক্ষা পরিবেশে প্রবেশ করবেন খেলোয়াড়রা। কিছু খেলোয়াড়ের করোনা পরীক্ষা পজিটিভ আসায়, তারা বিচ্ছিন্ন আছেন। তাদের নেগেটিভ আসলেই, জৈব সুরক্ষা বলয়ে প্রবেশ করানো হবে।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Blocker Detected

Please Remove your browser ads blocker