দুর্ঘটনাবাংলাদেশ

‘ফণী’র প্রভাবে দেশে আরও বৃষ্টি হতে পারে

‘ফণী’র প্রভাবে আগামী ছয় থেকে আট ঘণ্টা দেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে। শনিবার সন্ধ্যায় সর্বশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলা হয়, শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড় থেকে ‘ফণী’ নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে দেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ সারা দেশে চলছে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি।

ভারতের ওড়িশায় আঘাত হানার ২১ ঘণ্টা পর শনিবার সকাল ছয়টার দিকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অতিক্রম করে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী। আরও উত্তর দিকে চলে গিয়ে সকাল নয়টার দিকে ফরিদপুর ও আশপাশের অঞ্চলে অবস্থান করছিল। পরে এটি পাবনা-টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহের দিকে চলে যায়। এটি পরে আরও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে গেছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান ঘূর্ণিঝড় ফণীর সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরে বলেন, ফণী দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর শক্তি ক্ষয় হতে শুরু করেছে। এর ফলে এখন মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী ছয় থেকে আট ঘণ্টা এই বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এদিকে, ফণী দুর্বল হয়ে আসায় দেশের উপকূলীয় এলাকার আশ্রয় শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া লোকজন ঘরে ফিরে গেছেন। টানা ৩৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস শুরু হয়েছে। তবে বন্দর জেটিতে এখন কোনো জাহাজ না থাকায় জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো শুরু হয়নি।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দীন আহমেদ শনিবার দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, বাংলাদেশ এখন অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

সূত্রঃ দেশ রূপান্তর

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Blocker Detected

Please Remove your browser ads blocker